ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট
ক্ষতির
ধরণঃ
•
আক্রান্ত গাছের নিচের পাতা প্রথমে
নুয়ে পড়ে এবং শুকিয়ে মারা যায়। এভাবে গোছার সকল পাতাই মরে যেতে পারে।
•
এ অবস্থাকে ক্রিসেক বা নেতিয়ে পড়া
রোগ বলা হয়।
•
চারা বা প্রাথমিক কুশি বের হওয়ার সময়
গাছের পাতা বা পুরো গাছটি ঢলে পড়ে। মাঝে মাঝে আক্রমণ প্রবণ জাতের ধানে পাতাগুলো
ফ্যাকাশে হলদে রঙের হয়।
•
গাছের বয়স্ক পাতাগুলো স্বাভাবিক সবুজ
থাকে, কিন্ত কচি পাতাগুলো সমানভাবে ফ্যাকাশে হলদে হয়ে আস্তে আস্তে
শুকিয়ে মারা যায়।
•
পাতা পোড়া রোগের লক্ষণের ক্ষেত্রে
প্রথমে পাতার কিনারা অথবা মাঝে নীলাভ সবুজ রঙের জলছাপের মত রেখা দেখা যায়।
•
দাগগুলো পাতার এক প্রান্ত, উভয় প্রান্ত বা ক্ষত পাতার যে কোন জায়গা থেকে শুরু হয়ে আস্তে আস্তে সমস্ত
পাতাটি ঝলসে বা পুড়ে খড়ের মত হয়ে শুকিয়ে যায়।
•
আক্রমণ প্রবণ জাতের ধানে দাগগুলো
পাতার খোলের নিচ পর্যন্ত যেতে পারে।
•
এক সময়ে সম্পূর্ণ পাতাটি ঝলসে যায় বা
পুড়ে খড়ের মত হয়ে শুকিয়ে যায়।
•
রোগ সমস্ত জমিতে ছড়িয়ে পড়লে পুড়ে
গেছে বলে মনে হয়।
গ্রীন বাংলা এগ্রোভেট লিঃ এর সমাধানঃ
•
রোগ
দেখা দেওয়ার পরে অতিরিক্ত ৫ কেজি পটাশ সার ছিপছিপে পানিতে প্রয়োগ করতে হবে।
•
রোগের
প্রাথমিক অবস্থায় ৬০ গ্রাম পটাশ ও ৬০ গ্রাম মাইটিভিট প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে
স্প্রে করতে হবে।
• দিবালা ৪৫ ডব্লিউ পি ২০ গ্রাম/১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
• গ্রীনজল ৫ ইসি ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে।