placeholder
শিকড় ন্যাপথাইল এসিটিক এসিড (Naphthyle Acetic Acid) কৃষিতে ন্যাপথাইল এসিটিক এসিড: ন্যাপথাইল এসিটিক এসিড হল অক্সিন পরিবারে একটি সিন্থেটিক প্ল্যান্ট হরমোন। এটি গাছের শিকড় বর্ধক এবং কাণ্ড এবং পাতার কাটিং থেকে নতুন উদ্ভিদের বর্ধনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উদ্ভিদের টিস্যু কালচারের জন্যও ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও ন্যাপথাইল এসিটিক এসিড কৃষিতে বিভিন্ন কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

শিকড় ব্যবহারের উপকারীতা: 

  • শিকড়ে আছে ন্যাপথাইল এসিটিক এসিড যা প্রতিকূল পরিবেশে গাছের খাদ্য গ্রহন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  • শেষ চাষের আগে জমিতে শিকড় ছিটিয়ে বীজ বপন করলে বীজের অংকুরোদ্গম ও শিকড়ের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়
  • বীজ বপনের শুরুতেই শিকড় ব্যবহার করলে চারা শক্তিশালী হয়ে গজায়
  • বীজের অংকুরোদ্গমের হার বৃদ্ধি করে 
  • বিভিন্ন রূপান্তরিত কান্ড যেমন আলু, পিয়াজ, রসুন, আদা, শালগম ইত্যাদির কোষ বিভাজন ত্বরান্বিত করে।
  • শিকড় ব্যবহারে শুরু থেকেই চারা সবল হয়ে বেড়ে উঠে, ফলে ঝড় বা অন্য কোন কারনে সহজেই হেলে পড়ে না।
  • ফসলের আগাম পরিপক্কতা আনয়নে সহায়তা করে।  

 

প্যাক সাইজ: ১ কেজি


প্রয়োগক্ষেত্র ও মাত্রা:

শেষ চাষের সময় অন্যান্য সারের সঙ্গে শিকড় মিশিয়ে নিম্নিলিখিত মাত্রায় করতে হবে। তবে ফল গাছের ক্ষেত্রে অন্যান্য সারের সঙ্গে শিকড় মিশিয়ে গাছের গোড়ায় বা গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, শিকড় কোন অবস্থাতেই স্প্রে করা উচিত নয়।

 

ফসলের নাম

প্রয়োগ মাত্রা

ধান, গম, পাট

বিঘা প্রতি - ১ কেজি

বেগুন, মরিচ, শসা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পটল, শিম, করলা, পেঁপে সহ বিভিন্ন শাক-সবজি

বিঘা প্রতি - ২ কেজি

আলু, পিঁয়াজ, রসুন, কচু, মুলা, আদা

বিঘা প্রতি - ২ কেজি

ভুট্টা, আখ, পান

বিঘা প্রতি - ৩ কেজি

কলা, আনারস, নারিকেল, লেবু, পেয়ারা, কাঁঠাল ও আম সহ বিভিন্ন ফল জতীয় ফসল

গাছ প্রতি - ১০-১৫ গ্রাম

বীজতলা/নার্সারিতে

বিঘা প্রতি - ১ কেজি

অন্যান্য বিভাগসমূহ